বাড়িয়ে দিন বন্ধুত্বের হাত

#schizophrenia

চিত্র সৌজন্য লিফলি

নয় নয় করে তেত্রিশ বছর হয়ে গেল,তবু কেউ কথা রাখলো না।১৯৮৬ সালে ঠিক হয়েছিল প্রতি বছর মে মাসের ২০ থেকে ২৭ তারিখ "বিশ্ব স্কিৎজোফ্রেনিয়া সপ্তাহ" হিসেবে পালন করা হবে।২৪  মে পালিত হবে "বিশ্ব স্কিৎজোফ্রেনিয়া দিবস" হিসেবে।উদ্দেশ্য ছিল এই বিরল অথচ ভয়ানক রোগটিকে ঘিরে সচেতনতা বাড়ানো।এতোদিন বাদেও কিন্তু তাকে ঘিরে আমাদের সংশয়ের শেষ নেই।সামান্য বেচাল কারোকে দেখলেই আমরা বেশ বলে দিই "ব্যাটা স্কিৎজোফ্রেনিয়ার রোগী "।একবার দেগে দিতে পারলেই হলো।ব্যাস,তাকে নিয়ে ফিসফিস শুরু হয়ে যাবে ।"জানিস তো,ও না..."।কেউ কেউ এই রোগটিকে "স্প্লিটমাইন্ড" বলেন।ব্যাপারটা বেশ গোলমেলে।মন দ্বিখন্ডিত হলে কি তবে স্কিৎজোফ্রেনিয়া?তাও নয় আসলে।এই অসুখ মানুষকে তার চিন্তা থেকে আলাদা করে দেয় ।শেষে এমন আওয়াজ শুনতে পায়,এমন জিনিস দেখতে পায় যাদের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই।এমন সব সন্দেহ যারা আসলে ভুল অথচ অনড়,এমন স্থিতি যেখানে মন মিশে যাচ্ছে আশপাশের জগতে আর দ্রুত কেউ হারিয়ে যাচ্ছে নিজেরই মধ্যে ।প্রতি একশো জনের জীবদ্দশায় যে কোনও একজনের এই রোগ হবেই।আর এই রোগের বেশ ভালোরকমের চিকিৎসাও আছে।তবু মানুষের মন থেকে এই রোগ নিয়ে ভুল ধারণা গুলো শোধরালো না কেউ।তেত্রিশ বছর কেটে গেল।এবার অন্তত হাত বাড়িয়ে দিন,এগিয়ে আসুন।আমরা স্কিৎজোফ্রেনিয়া মুক্ত পৃথিবী গড়ে তুলি।

Fri 31 May 2019 12:23 IST | শুদ্ধেন্দু চক্রবর্তী