গ | ল্প►গ্রহণ

 

 

 গৌ ত ম  বি শ্বা স

 

"যাস নে বাবা। ওদের বিশ্বাস করিস না। ওরা ভালো মানুষ নয় রে।"

কথাটা কানে তোলে না শুভঙ্কর। এখন চোখ জোড়া স্বপ্ন। বুক ভরা আশা। এইসব জমিজমা, চাষবাস, ধুলোমাটির গন্ধ একেবারেই ভালো লাগে না তার। এর চেয়ে ঢের ভালো মনে হয় চাকরি। হ্যাঁ, যেমনই হোক একটা চাকরি সে জোগাড় করবে। নিত্যদিন অফিস। ছায়াঘেরা ঘর। মাস গেলে অনেকগুলো টাকা। টাকা জমিয়ে ভাঙাচোরা এই কুঁড়েঘর টাকে সরিয়ে নতুন একখানি ঘর বানাবে সে। ইটের দেওয়াল। মাথার ওপর ছাদ। দিনরাত আলো বাতাসের ছড়াছড়ি।

ভালোবাসার দলিল

দু-দিনের প্রমোদ মেলায় এসে বিলাসবহুল হোটেলে দিনকাটিয়ে চলে যাননি তিনি, বরং প্রত্যক্ষ করে গেছেন দুঃখিনী বর্ণমালার দেশ এই বরাকের শান্তস্নিগ্ধ করুণ মুখ।

আমার ছেলেবেলা

আকাশ থেকে খসে পড়া তারার মতো প্রায়ই আমাদের আশপাশের গ্রাম থেকে এক একটি পরিবার খসে পড়ছে...

'নাক ভাঙারাই' আসল?

হার্ডিঞ্জ ব্রিজের স্প্যানে ধাক্কা খেয়ে ইলিশ মাছের নাক থেঁতো হয়ে যায়। সেই সব নাক ভাঙা ইলিশই আসল পদ্মার ইলিশ। 

গ | ল্প►রাজ ফড়িং 

সে জানে গতর না থাকলে খেতে পাবে না। সেই গতর ছিঁড়ে খেতে চায়। পুরুষগুলো বাইরে  ভদ্রলোক সেজে থাকে। ভেতরে তাদের শরীর লকলক করে। 

শরতেও আকাল কেন ইলিশের?

পূর্ণিমার সময় যখন জোয়ার বেশি থাকে, তখন ইলিশ বেশি পরিমাণে ধরা পড়ে।  সম্প্রতি জোয়ারের সময়ও জলের উচ্চতা গত বছরের মতো বাড়ে নি। আড়াই-তিন ফুট কম থাকছে। এটিও ইলিশ কম ধরা পড়ার আরেক কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ক | বি | তা►মেয়েরা

অথচ আমি জানি যে মেয়েরা স্বাধীন/ তারা আশ্রয়হীনা নয়...

চৈতালী-র কবিতা

প্রেম আর সংযত দ্রোহের কবি, চৈতালী, আপাতত দক্ষিণের দূর-শহর হায়দ্রাবাদের বাসিন্দা। তাঁর অভিভাজ্য আগুন আর মনের গুঞ্জন পড়ে থাকে বাংলার আনাচে-কানাচে, শরতের আলোয়, হয়তো বা স্নিগ্ধতায় ভিজে যায় চোখ; আর এভাবেই ডুবে রয় তাঁর সামাজিকতার 'আমরা', রহস্যময়তার মনোহর কায়দায়। চৈতালীর প্রেমবোধের সঙ্গে দ্রোহতাড়িত উচ্চারণের মিল বড়ো অদ্ভুত, যেখানে ব্যক্তিক অনুভব সহজিয়া ভাবনাকে জড়িয়ে হয়ে ওঠে সবার ভ্রমর। সম্প্রতি, তাঁর 'নির্বাচিত প্রেমের কবিতা' আর 'চৈতালীর কবীর' বের হয়েছে। দুটি সঙ্কলন এক শরীরি না হলেও অনুশীলনে অভিন্ন। মননযাত্রায় অখণ্ড। 

 

মূক নয়, গান গায় ইলিশও

শুধু কি  বাঙালিরই আরাধ্য এই জলদেবী? শুধু কি পদ্মা-গঙ্গা-রূপনারায়ণেই তাঁর বাস? নদীর জলে জন্ম আর সমুদ্রে বাস যে মৎস্যের বাঙালির কাছে এত আদর—তার মতো আন্তর্জাতিক অভিবাসী প্রাণী কমই আছে

রেসিপি শতাধিক, শতাধিক ব্যঞ্জন!

প্র | চ্ছ | দ | র | চ | না

 

| প্রতাপ কুমার রায় |



ছোটোবেলায় ইলিশের সঙ্গে নামমাত্র পরিচয় ছিল। ভালোবাসা তো দূরের কথা। মফস্বলের যে শহরে আমার বাল্যকাল কেটেছে, কাঁসাই নদীর কাছাকাছি, সে শহরে ইলিশ দুষ্প্রাপ্য ছিল। প্রথমত, কাঁসাই নদীতে ইলিশমাছ আসত না বলে, আর কলকাতার চালানি মাছ আসতে একটা, দেড়টা বেজে যেত, তখন দিনের বাজার উঠে যাওয়ার সময়।