কবিতা

পৃথিবীর সঙ্গে যারা আমার পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল তাদের উদ্দেশ্যে বালি উড়িয়ে দিলাম

মায়া কুকুরের পাশে

কুকুরটা আমার মাথার পাশে মায়ের মতো কুণ্ডলী পাকিয়ে শুলেন। আমি জানি, আমার কাছে কিছুই নেই, নাম নেই, পরিচয় নেই,শুধু মুখে একটু মায়া লেগে আছে।

সাহিত্যের চার মিনার

সাহিত্যের চার বিষয়ে আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার। আসানসোল গার্লস কলেজ এবং আইকিউএসি'র যৌথ এই আয়োজনে সামিল ছিলেন ভারত, বাংলাদেশের সাহিত্যিক, কবি, চিত্রকর, অধ্যাপক,গবেষক-শিক্ষক-ছাত্র-ছাত্রীরা। 'ছন্দে-কথায় জীবনের রঙ-বেরঙ'এই শিরোনামের আন্তর্জালিক আলোচনায় প্রথম দিন বক্তব্য রাখলেন কথাসাহিত্যিক প্রচেত গুপ্ত এবং শিশুসাহিত্যিক ও গবেষক খন্দকার মাহমুদুল হাসান। 'সাম্প্রতিক কথাসাহিত্যের গতিপ্রকৃতি' নিয়ে প্রাণচঞ্চল বক্তব্য রাখলেন প্রচেত গুপ্ত । অন্যদিকে 'উনবিংশ শতকের বাংলা শিশু সাহিত্য' সময়ের পথ বেয়ে কিভাবে কালজয়ী হয়ে উঠল তারই নিরন্তর  আলোচনা উঠে এল মাহমুদুল হাসানের ব্স্তারিত আলোচনায়।তিনি জানাল

দাম

মানুষকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পয়সা খাওয়ার ধান্দা করছে কেউ, কেউ করছে কল্পিত কেস সাজানোর চেষ্টা, সাক্ষী সাজাতে লোক খুঁজছে কেউ, আবার কেউ অপেক্ষা করছে কোনও কেসের সাক্ষী হতে ...কাছ থেকে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না, এমনই রঙ্গমঞ্চ।

ছায়া

চোখ বন্ধ করে শুয়ে পড়ে । এমন সময় হঠাৎ একটা ছায়া এসে বসে ওর কাছে।মকিদ যেন দেখতে পাচ্ছে। সে যেন কিছু বলতে চায়। মকিদ হাত বাড়িয়ে ধরতে যায় কিন্তু সে ধরতে পারে না। তার জীবন পাখি এবার উড়তে চায় খোদার অনন্ত আকাশে।

কবিতা

আজকাল সম্পর্কগুলো কেমন আলগা হয়ে যাচ্ছে/ ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে আছি সব নিয়ে/সন্ধ্যে নামে নীড়ে ফেরা পাখির ডানায়/আজকাল তোমার কাছে গেলে, পাহাড় ভাঙার শব্দ শুনতে পাই...

সন্ধ্যাতারা

আত্মীয়ের সঙ্গে পরিচয় প্রসঙ্গে সে বাঁশবাদীর স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যায় কয়েক দিনের জন‍্য। আর এভাবেই মিশে যায় সহজ সরল প্রতিবেশীদের সঙ্গে। এত অল্প সময়ে আশেপাশের মানুষজন কেওড়া, গোরান, সুন্দরীর বন বাঁশবাদীর আলো-বাতাস তার যেন পরম আপন কেউ।

গুচ্ছ কবিতা

আকাশ খনন করে তারা খুঁজে নেওয়া যায়

প্রেমাঙ্গুরী

সেই ক্লাস সেভেন থেকেই প্রেম–ভালবাসার ওপর দিয়ে জীবন এতদূর গড়িয়ে এল। সুজাতা, রিনি, পিয়ালি, মৌপ্রিয়া, মিত্রাদের সঙ্গে আমার পাশে বসা ছেলেটার মুখের ভাষার কোনও তফাৎ নেই। যেন কতকিছু বলতে চায় ছেলেটা। 

অর্ফিয়াসের বাঁশরী

যখনই নজরুল মানবতাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেখেছেন,সুন্দরের অবমাননা হতে দেখেছেন তখনই হুসামের খাপ খোলা তলোয়ারের মত  ঝলসে উঠেছে তার কলম।তিনি এমনই এক আধুনিক কবি যার মধ্যে নান্দনিক বোধ ছিল প্রখর।