লঙ্কাগড়ের লঙ্কাকান্ড

প্রায় সাড়ে ছশো বছরের পুরনো বাংলার নাড়াজোল রাজবংশ সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে।বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু সেই বাড়ির অন্দরমহলে বসে বিপ্লবের পরিকল্পনা করতেন। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু আজাদ হিন্দ ফৌজের দায়িত্ব নিয়ে বিদেশে পাড়ি দেবার আগে এই রাজবাড়ির মাঠেই বক্তৃতা দিয়েছিলেন।এই রাজবাড়ির পরিখায় তরবারি হাতে পাহাড়া দিতেন স্বয়ং দেবী জয়দুর্গা।তাঁর অসির জ্যোতিতে অত্যাচারি ইংরেজরা চোখ ঢাকত। বর্গীরা নাড়াজোল জনপদের ধারেকাছে ঘেঁষতে পারতো না।

►কবিতাগুচ্ছ

আধুনিক ভারতীয় কবিতার অন্যতম সেরা কবি, নীলমণি ফুকনের  বিস্ময়কর অনুভূতি প্রায় সাত দশক জুড়ে প্রাণিত করছে আমাদের। তাঁর কবিতাযাপনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে এই সময়ের অ-অসমিয়া, বিশেষ করে বাঙালি পাঠকের সংযোগ কতটা আর কীভাবে ছড়িয়ে আছে তা? এরকম প্রশ্ন তুলেই শুরু হল নীলমণির কবিতার ধারাবাহিক অনুবাদ। 

►ধারাবাহিক: বোবাযুদ্ধ ♦শেষ পর্ব♦

জীবন মোটেও ঈশপের গপ্পো নয়। একা ক্ষয়ধরা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি মানুষ সর্বাত্মক জিতে যাবে তা হয় না। তবে তীব্র ইচ্ছাশক্তি দিয়ে সে অনুকুল প্রত্যুত্তর খুঁজে নিতে পারে।

খেলাঘর

সন্ধ্যায় করিডরের দরজা ঠেলে মাধুরী এ বাড়িতে পা রাখলেই শ্রেষ্ঠার ঠোঁটের  কোনে মিষ্টি হাসি ঝিলিক দেয়। কথা না বলেও, চোখের ভাষায় ধরা পড়ে ওর উচ্ছ্বাস।

►কবিতা

এমন বৃক্ষ বিরল হলেও / একটি-দুটির দেখা মেলে শতাব্দীতে।

আয় করে মেয়েরা, নেশা করে স্বামী

অবহমানকাল থেকে এদেশের শাসক-শোষক শ্রেণী রাজনৈতিক কূটনীতির দ্বারা ইচ্ছাপূর্বক নারীর শিক্ষা ও স্বাধীন জীবিকার পথকে রুদ্ধ করে পারিবারিক ও সামাজিক মর্যাদা ও ক্ষমতা থেকে নারীকে বঞ্চিত করে রেখেছে।

অভিনব ভাবনার বাস্তব

পশ্চিমবঙ্গেও ভারতের অন্যান্য রাজ্যের মতো  নারীর ক্ষমতায়ন বা প্রগতির ধারা একটা সময় পর্যন্ত শহরকেন্দ্রিক বিশেষ শ্রেণীর মহিলাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। সময়ের সঙ্গে তা ধীরে ধীরে বদলেছে ঠিকই, তবে এই গতিকে তরান্বিত করেছে সরকারের কিছু বিশেষ প্রকল্প।

►কবিতা

অর্ধেক কালো হয়েছিল সূর্যের আলো/ কিছু ধুলো এখন চাঁদও মাখছে/আমারই মেঘে আমি কিছুক্ষণ/ তারপর ব্যক্তিগত বজ্রপাতে আকাশে আঁকি

সম্ভব, অসম্ভব

রাকেশের জীবনে কলির সংখ্যা নেহাত কম ছিল না, সুন্দর ও সুঠাম চেহারা ব্যবহার করে সহজে পটিয়ে ফেলত , তার কাছে মেয়েরা মাত্উরই পভোগের বস্তু।

►কবিতা

ম্লান ফিকে স্বাদহীন গন্ধহীন জোছনাকে কোনোদিন চাইনি জীবনে/ সেই যে প্রথম বোধ যে সন্ধ্যায় রূপালী উঠোন জুড়ে জোছনার মায়াচাঁদ আর হাস্নুহেনা গন্ধ বিলিয়ে অমল/ আউলা ঝাউলা করে আলুথালু করেছে শৈশব।