হিটলারের পোষ্যর স্থায়ী ঠিকানা এবার মস্কো মিউজিয়াম

crocodile_saturn.png

১৯৪৩।মিত্রশক্তির বোমারু বিমানের আক্রমণে বেসামাল বার্লিন।
বোমাতঙ্কে, চিড়িয়াখানা থেকে চম্পট দিয়েছিল একদল পশু। সে মিছিলে পা মিলিয়ে ছিল স্যাটার্ন।

জনশ্রুতি, সেই মকর সাবক নাকি ছিল নাৎসি প্রধানের ব্যক্তিগত পোষ্য।
প্রায় তিনবছর পর ব্রিটিশ সেনা হদিশ পায় সেই কুমিরের।দেশ পেড়িয়ে মস্কোর পশুশালায় ঠাঁই হয় তার। গত মে মাসে, ৮৪ বছরে মারা যায় স্যাটার্ন। 

hitler-alligator-saturn.png
ডারউইন মিউজিয়ামে স্যাটার্ন

মৃত্যুর পর, তার দেহ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মস্কোর ডারউইন মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ।তাদের তরফ জানানো হয়েছে, উত্তর অ্যামেরিকার বন্য প্রাণীদের বিভাগে বাইসন, শজারুদের সঙ্গে রাখা হয়েছে স্যাটার্নকে।
 
হিটলারের পোষ্য বলে খ্যাত এই সরীসৃপের জন্ম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপতে, ১৯৩৬-এ। তবে, তিন মিটার লম্বা এবং দুইশ কেজি ওজনের এই কুমিরের ঠিক কবে ঠিকানা বদল হয়, তার হদিশ দিতে পারেনি বার্লিন চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।  তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকেই রটে হিটলার এই কুমির পুষছেন। বার্লিন চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষ অবশ্য এটাকে নিছক গল্পকথা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। 

১৯৪৩ সালের ২৩ নভেম্বর,  মিত্রশক্তির বোমায় বার্লিন চিড়িয়াখানার অনেক জীবজন্তুই প্রাণ হারায়।চার হাজার প্রাণীর মধ্যে পালাতে পেরেছিল মাত্র ৯০টি। স্যাটার্ন তাদের অন্যতম। পরে পূর্ব জার্মানি ঘুরে, সোভিয়েত তত্ত্বাবধানে ঠাঁই হয় তার।

প্রাণী বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সাধারণত এই ধরনের কুমিরের গড় আয়ু ৫০ বছর। কিন্তু স্যাটার্নের ইনিংস বেশ লম্বা।৮৪ বছর।
 

Tue 22 Dec 2020 12:37 IST | আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক