পাতে ইলিশ ভুনা খিচুড়ি আর মনে বাজুক শ্রাবণ গগনে ঘোর ঘনঘটা 

যে খাবার খেতে বাঙালির কোনো উপলক্ষ প্রয়োজন হয় না, সেটা হল খিচুড়ি। ভরা বৃষ্টিতে হাতের কাছে থাকা সামান্য উপকরণ দিয়ে খুব কম সময়ে, খুব সহজেই বানিয়ে ফেলা যায় এই খাবার। বৃষ্টি ঝরছে তো খিচুড়ি বানাও, একটু ঠান্ডা ঠান্ডা ভাব তো খিচুড়ি খাও, একটু বেশি গরম পড়েছে তো একটু পাতলা করে খিচুড়ি হয়ে যাক। খিচুড়ি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। ছোটোদের ডালে, চালে সবজির মিশ্রণ দিয়ে বানানো এই পদ ডাক্তারাও খাওয়াতে বলেন। 

আম সন্দেশ

আমের সময় এখনও শেষ হয় নি। আম, দুধ দিয়ে ম্যাঙ্গো শেক, ম্যাঙ্গো আইসক্রিম, আমসত্ত্ব অনেক তো হল এবার আম দিয়ে বানিয়ে পেলা যাক সন্দেশ। খুব সহজেই ঘরের হেসেলেই তৈরি করা যাবে এই সন্দেশ। 

►উপকরণ-


♦পিউরির জন্য: ৪–৫টি খুব মিষ্টি পাকা আম, ২ টেবিল চামচ চিনি।
সন্দেশের জন্য: ছানা ২ কাপ, আম পিউরি ১ কাপ, চিনি চার ভাগের এক কাপ অথবা স্বাদমতো, গুঁড়া দুধ চার ভাগের এক কাপ।

♦গার্নিশের জন্য: বাদামকুচি।

♦ মোল্ডে মাখানোর জন্য: পরিমাণমতো ঘি।

মশলাদার গ্রেভির ডিম ডালনা

করোনাকালে ডিম খাওয়া বেড়ে গেছে সকলের বাড়িতে। কিন্তু প্রতিদিন একইরকম রান্না থেকে কার ভালো লাগে। তাই রান্নায় নতুন চমক আনতে আজই বানিয়ে ফেলুন মশলাদার গ্রেভির ডিম ডালনা। আর তড়কা হিসেবে ব্যবহার করুন বিউলির ডাল৷ এভাবে রান্না ডিম পরটা, রুটি থেকে শুরু করে ভাত- পোলাও সব কিছুর স্বাদই বাড়িয়ে দেবে৷ 

উপকরণ—৪ টি সেদ্ধ ডিম, ২ টেবিল স্পুন তেল, ১০-১২ টা কারি পাতা, ১ টি স্পুন সরষের দানা, ২ টি পেঁয়াজ, খানিকটা আদা কুঁচি করে রাখা, ১/৪ চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১/২ চামচ লাল লঙ্কার পাউডার, আধ কিলো টমেটো, ২ টেবল স্পুন ধনেপাতা, ১ টেবল স্পুন তেল, ২ টেবল স্পুন বিউলির ডাল৷ 

কাতলার নতুন রেসিপি 

ভারতের অন্যান্য প্রদেশেও মাছ খাওয়ার প্রচলন আছে। তবে নানা প্রকারের মাছ বিভিন্ন স্টাইলে রান্না করায় বাঙালিকে কেউ হারাতে পারবে না। মাছ শুধু একটি পদ নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতির অংশ। বিয়ে, অন্নপ্রাশন, এমকী কিছু কিছু পুজোতেও মাছের পদ হয়।সবার বাড়িতেই রুই-কাতলাই বেশি আসে। তবে, রোজকার একঘেয়ে ওই মাঝের ঝাল বা ঝোল খেতে কার ভালো লাগে! একই মাছের নতুন পদ।

কাতলা মাছের দো পেঁয়াজা

 টমেটোর শরবত

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে  অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময় যত বেশি ফলের রস, শরবত খাওয়া যাবে ততই শরীরের উপকার হবে। 

এমন কিছু ফল এবং সবজি আছে যেগুলোর রস দিয়ে সারাবছরই সুস্বাদু পানীয় বানিয়ে রাখা যায়। এগুলো গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে ভূমিকা রাখে। যেমন-টমেটো। এটি রান্নায় দেওয়া হয়। এছাড়া এটি দিয়ে সালাদ খাওয়া হয় আবার চাটনিও বানানো হয়। টমেটোয় পর্যাপ্ত জল থাকায় এটির রস বানিয়ে দীর্ঘ সময় রাখা যায়।

দই বড়া

গরমে দই-এর জুড়ি মেলা ভার। খাবারের পাতে হোক, কিংবা সরবতে প্রতিদিন খাবারের চাটে দই রাখা চাই। ডায়েটিশিয়ানদের মতে দই আট থেকে আশি সকলের জন্যই উপকারী। আজ হেসেলে একটু চটপটা খাবারের খোঁজে বানিয়ে ফেলা যাক দই বড়া। 
মাসকলাই ডাল এক কাপ, গোটা জিরে হালকা আঁচে সেকে নিয়ে তারপর গুঁড়ো করে ১ টেবিল চামচ, কালো মরিচের গুঁড়া আধা চা চামচ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা সামান্য,টক দই  ১ কাপ, কাঁচা মরিচ বাটা আধা চা চামচ, বিট লবণ আধা চা চামচ, ধনে পাতা বাটা আধা চা চামচ, ২ টেবিল চামচ চিনি, তেঁতুল চাটনি ২ টেবিল চামচ, ধনে পাতা ১ টেবিল চামচ, পুদিনা পাতা ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।

নবাবি সেমাই 

সৌন্দর্য এবং খাবারের স্বাদ বাড়াতে বাদাম এবং কিশমিশ দিয়ে পরিবেশন করলেই কেল্লা ফতে।

ইমিউনিটি বুস্টিং চাটনি

এই চাটনিকে স্প্রেড হিসাবে স্যান্ডউইচের সঙ্গেও খাওয়া যেতে পারে।

গরমে আরাম! স্বাস্থ্যকর মিষ্টি বেল আর তরমুজের শরবত

গরম বেশ জাকিয়ে পড়ছে । গরমের হাত থেকে রেহাই পেতে শরীর ঠান্ডা রাখা প্রয়োজন। মরসুমি ফল দিয়ে বাড়িতে বানানো শরবতের জুড়ি মেলা ভার। বাইরের প্যাকেজিং লস্যি কিংবা বোতলের লাল, নীল ঠান্ডা পানীয় পান করার থেকে কয়েক গুন নিরাপদ বাড়িতে বানানো শরবত। 


পাকা বেলের শরবত

উপকরণ —পাকা বেল, চিনি ব্লেন্ডারে মিহি করে গুঁড়ো করা, পাতিলেবু বা গন্ধরাজ লেবু, ঠান্ডা জল, বিট নুন বা সাধারণ নুন। 

চিকেন বাটার মশলা

রবিবারে মাংস না হলে ছুটির আমেজটা হারিয়ে যায়। তবে মধ্যবিত্তের হেসেলে মাংস বলতে চিকেনই সম্বল। সেই চিকেনে একটু রাজকীয় স্বাদ আনতে বাটার আর মশলা সহযোগে বানিয়ে ফেলা যাক এই রেসিপি। বাড়ির সকলেই পরিচিত চিকেনে অন্যরকম স্বাদ পেয়ে খুশি, আর সকলের খুশিতে আপনিও সুখী।