দিঘা তো অনেক হল এবার তাহলে বিচিত্রপুর

 বিচিত্রপুর পর্যটনকেন্দ্রে একবার না গেলেই নয়।এটির  আসল রহস্য দিনে মাত্র ৬ ঘণ্টা জেগে থাকে এই দ্বীপটি৷

'অবতার' ছবির প্যান্ডোরার পাহাড় !

এমন পাহাড়ে ঘেরা বিচিত্র অঞ্চল, এমন স্তম্ভের মতো লম্বা লম্বা অদ্ভুত দর্শন পাহাড় রয়েছে পৃথিবীর বুকেই। প্রতি বছর প্রায় ৩ কোটি পর্যটক এই অঞ্চলে আসেন প্যান্ডোরার পাহাড়গুলির টানে।

বন্ধের উদযাপন

উলুরু আরোহন বন্ধের শেষ মুহূর্তকে স্মৃতিবন্দী করতে প্রায় ৪০ হাজার দর্শক ভিড় জমিয়েছেন এই স্থানে।

বুংকোলুঙ: বুনো-গাঁয়ের কোলে

দুই মুলুকের অনিচ্ছুক পাহাড়ের সাজযোটক বিয়ে। লুকিয়ে থাকা সুন্দরী অসংকোচে ধরা দেয়।শিলিগুড়ি থেকে ৪৫কিমি. এসে মারমাখোলা-বালাসোনের সঙ্গমে!

সুখের ছড়ানো পাখা

কল্কে-ধাঁচের জলতল, আরেক চৌকোপানা পুকুর মিলে জোড়পোখরির যুগল-কেন্দ্র।কুয়াশা-স্নানের পরে চারপাশের ছত্রীসেনা  পালা করে জোড়া-আয়নায়  উঁকি মেরে সোঁদা-চুল সামলে নেয়।

টোয়েডো কভি, ধন্যবাদ তোমাকে

তিন সেমিটিক ধর্মের তীর্থস্থান জেরুজালেম। তার ওপর কার কতৃত্ব বেশী, এ বিবাদ বহু পুরনো। চার হাজার বছরের ইতিহাস, ধ্বংসলীলা আর ৫২ হামলার সাক্ষী সেই শহরের স্মৃতি উঠে এল এ সফরে।

মিরিক,পাইনের লিরিকাল সুমেন্দু

মিরিক নামটি এসেছে লেপচা ভাষার “মির-ইওক” শব্দ থেকে, যার অর্থ আগুনে পুড়ে যাওয়া জায়গা।

গাজোলডোবার ডুবজলে, বাঁধের গায়ে

ওদলাবাড়ির ছোট গাঁ গাজোলডোবা। দিগন্তে কাঞ্চনজঙ্ঘার সখ্য আর মহানন্দা-তিস্তার মাঝের বৈকুণ্ঠপুর অরণ্যের অকুন্ঠ প্রশ্রয়

সৌরেনি আর তার সৌন্দর্যের সই টিংলিং চূড়া

সৌরেনি নামটি যত মিষ্টি, তার চেয়ে বেশি সুন্দর চা-বাগান, ছোটো জনপদ আর পাহাড়ঘেরা এই অঞ্চল। শিলিগুড়ি-দার্জিলিং বিকল্প পথে মিরিকের কিমি.

শিবভোলার দেশ শিবখোলা

যেমন যাবার পথ তেমনি চিত্রবৎ জায়গাখানি। শিব বুঝি খোলামনে মেলে ধরেছেন নদী, পাহাড়, বন, রাক্ষুসে পাথর আর চাবাগান।চাপা হেসে লুটোপুটি খাওয়া ধারা। আর অপার নির্জনতা।
শিলিগুড়ি থেকে ২৭ কিমি. দূরে সে এক অভিযানের চড়াই উৎরাই।গাড়িতে শহর থেকে পনের মিনিট গেলে শুকনা বন,ডান দিকে ঘুরে এগোলে টয় ট্রেনের শুকনা রেলস্টেশন।অতি সুন্দর খেলনার নির্মাণ বুঝি!শুরু হয়ে গেল মহানন্দা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সবুজ ছায়ার সড়ক নিয়ে যায় রংটং স্টেশন,ছোট বাঁকের মুখে সে-ও গুহার সামনে তোরণের মতো দাঁড়িয়ে।