অবশ্যম্ভাবী ভবিষ্যত 

কত সামান্য দরদামে বিকিয়ে যায় রক্ত জল-করা খাটুনি। যত বেআইনি কাজ, তার কর্মশৃঙ্খল তত সুবিন্যস্ত। 

খারাপ খবরই ভালো খবর

কখনো এত বেশি মহাদেশ জুড়ে একটিমাত্র আতঙ্কে গাঁথা পড়ে নি, তাই সব গ্রহবাসী এক নজরে এক গুরুত্ব দিয়ে আগে কখনো দেখতে শুরু করে নি  তাদের সমস্যাকে।

ঘুমিয়ে আছে শৈলশহর

মেঘ উঠে আসে, নেমে যায়, কখনো পথের সমান্তরালে ভেসে যায়। সামনে চিরপরিচিত শহরের মুখ ভয়ের সাদা অবগুণ্ঠনে ঢাকা। অদৃশ্য ঘাতক ঘুরে বেড়ায় যে!

বৃহত্তম মর্মান্তিক সংযোজন

গুরুত্ব ও তাৎপর্য প্রথমে বুঝতে না-পারা হলো সবচেয়ে বড় ভুল। অথচ সেটাই সহজ সমাধান হতে পারে, কারণ পরে সামলানোর ধাপগুলো জটিল, যন্ত্রণার, কখনো নাগালহীন!

লঙ্কাই বাস্তবিক শঙ্কা

ব্যক্তিগত দুর্ভোগ তেমন হোক না হোক, সামগ্রিক পরিস্থিতি, অতিমারির নানা দিক, তার কুপ্রভাবে কতদূর কী হতে পারে, তা নিয়ে সৃজনশীল মনে বৃহত্তর উদ্বেগ কাজ করে চলে।

করোনা-চোটে বিধ্বস্ত সরেস প্রথম ফ্লাশ

রফতানি পুরো বন্ধ। ভালো চায়ের জন্য ইংল্যান্ড থেকে জাপান, নানা রাজবাড়ির পছন্দ প্রথম ফ্লাশ, তা দেওয়া গেল না।

নিষ্করুণ রাক্ষসী, এবার করুণাধারায় এসো!

সবুজ, কমলা, লাল অঞ্চলের মানুষকে একেক ধাপে ভাবতে হবে কতটুকু সুরাহা করা যায়। চট করে পুরো সমাধান সামনে নেই। প্রকৃতির সাথে প্রেমের সুতো ঝটকা দিয়ে ছিঁড়েছে আমাদেরই ধেড়ে বেরাদররা।

বন্দীদশার বৃত্তান্ত

পৃথিবীর গাড়িটা থেমে গিয়ে সময়কে হারিয়ে দিয়ে জিতিয়েছে নদীর প্রবাহকে। স্বচ্ছ নির্মল হয়ে সে উদযাপন করে সে বিজয়! 

সংকটে আগুপিছু হতে থাকে পারস্পরিক সম্পর্ক

সুনামিতে আমাদের পূর্ব উপকূলসহ কত দেশ ধাক্কা খায়। কিন্তু আন্দামানের আদিবাসীরা বাঁচে, কারণ তারা তাদের পূর্বপুরুষদের স্মৃতি প্রজন্মান্তরে বলতে থাকে, মানতে থাকে। সমুদ্র হঠাৎ অস্বাভাবিক পিছিয়ে গেলে যে বহুগুণে বেড়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে, তা মনে রেখে দৌড়ে পাহাড়ে চলে গেছিল তারা!

বিধাতার সঙ্গে সাপলুডো খেলা এখনো চলছে

amitm শুক্র, 05/01/2020 - 16:36
নিউজিল্যান্ডবাসী বান্ধবীর পোস্ট করা ছবির দৃশ্য। বিলকুল ফাঁকা পাতালরেলে তাকে দপ্তরে যেতে হচ্ছে। খাঁ খাঁ ভৌতিক পরিবেশ! দেখেই মনে হলো এই বুঝি লাল চিত্রবিচিত্র দাগ টানা মুখোশ পরে জোকার এসে ঢুকবে,উঁকি দিয়ে সে কামরার লোক খুঁজবে