স্বাদবদলের রবিবার, আজ স্ন্যাক্স-এ টমেটো ইতালিয়ানো!

রবিবার মানেই চুটিয়ে আড্ডা। সঙ্গে ধোঁয়া ওড়ানো গরম চা আর স্ন্যাক্স!

তালের বড়া

তাল তো বঙ্গ জীবনের অঙ্গ। এই ভাদ্রে বাঙ্গালীদের পাতে তালের বড়া কিংবা তাল কেক পড়বে না তা কি কখনও হয়। হোক না করোনা আবহ ভোজনপ্রিয় বাঙালির হেসেল তো সর্বাদা চলমান। সেখানে নেই কোনও সার্জিকাল স্ট্রাইক কিংবা লকডাউন। বৃষ্টিভেজা ঘরবন্দির একঘেয়েমি কাটিয়ে মুখরোচক গরম গরম তালের বড়ায় জমা যাক সান্ধ্য আড্ডা। 

তালের বড়া

উপকরণ-তালের জুস, ময়দা, সুজি, নারকোল কোয়া, ছোট এলাদ, সামান্য নুন ও প্রয়োজনীয় চিনি। বাড়া ভাজার তেল। 

ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে জমিয়ে খান চিংড়ি বিরিয়ানি

করোনাজনিত লকডাউনে সপ্তাহে রবিবার ছাড়াও দু-একদিন ছুটি পাওয়া যাচ্ছে। সেই সঙ্গে আগস্ট মাস চলছে উৎসব। রাখি, জন্মাষ্টমী, স্বাধীনতা দিবস, গণেশ পুজা ইত্যাদি। বাড়ির বাইরে না গেলেও বাড়িতে বসেই চুটিয়ে আড্ডা আর সঙ্গে ভুরিভোজ। এখন গরম কমেছে। বাইরে ঝরছে বাদলধারা। আর হেসেলও মম করছে সুস্বাদু-সুগন্ধি রসনায়।

ইদের মিষ্টি: শাহি দুধ সেমাই

শনিবার খুশির ইদ। করোনা আবহে চলতি বছরে ইদ উদযাপন আড়ম্বরহীন হবে এমনটাই সকলের ইচ্ছা। তবে বাড়তি আড়ম্বর না হোক, পরিবার সঙ্গে আনন্দভাগ করে নিতে তো কোনও বাঁধা নেই। বাড়িতেই জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া না হলে উৎসবের আনন্দটাই মাটি।বাড়ির হেসেলই বানিয়ে ফেলা যাক ডেজার্টও।

শাহি দুধসেমাই

উপকরণ- ১০০ গ্রাম সেমাই, দুধ-১ লিটার, কনডেন্সড মিল্ক-২৫০ গ্রাম, ছোট করে কাটা খেজুর-৩ টেবিল চামচ, টুকরো করা কাঠবাদাম-২ টেবিল চামচ, কিশমিশ-৩ টেবিল চামচ, পেস্তা কুচি-২ টেবিল চামচ, এছাড়া লাগবে আন্দাজমতো গোলাপজল, এলাচগুঁড়ো, ঘি।

 সজনে-আমের ডাল

গরমে মুখি রুচি ও সুস্থ থাকার পাসওয়ার্ডও হল আম! আর সজনে একশ শতাংশ স্বাস্থ্যকর।

চিংড়ি-কুমড়োর কারি

স্বাদে-গন্ধে রাজকীয় অনুভূতি।

ডিমের দম 

চট জলদি বানিয়ে ফেলুন রেস্তোঁরার স্বাদে ভরা ডিমের দম

ফোকাসিয়া ব্রেড আর্ট

ইনস্টাগ্রামে এটাই নতুন ‘ফুড ট্রেন্ড’ যেন ক্যানভাসে রঙ বুলিয়েছেন শিল্পী ।

শেষ পাতে থাক গুলাবজামুন 

সোজা-সাপটা উপায়ে বাড়িতেই তৈরি করা যায় এই মিষ্টি। 

লকডাইনে মন ও শরীর চাঙ্গা রাখবে ডিটক্স ওয়াটার

‘ফ্রুট ইনফিউসড ওয়াটারে’  পুষ্টিগুণ এবং উপকারিতা অনুমানের চেয়ে অনেক বেশি।