জিরে চিকেন  

দূরত্ববিধি মানতে বাইরের রেস্তোরা নয় ঘরের হেসেলই সেরার সেরা । তবে একঘেয়েমি রান্নায় নতুনত্ব আনতে বানিয়ে ফেলুন একেবারে কম মশলার, ডিফারেন্ট টেস্টের এই পদটি । প্রিয়জনরা আপনার হাতে বানানোর চিকেনের প্রশংসা করবেই । জিরে চিকেন৷ খুব সহজে কমসময়ে বানিয়ে ফেলা যায়। 

উপকরণ: মুরগির মাংস – ৫০০ গ্রাম, সাদা জিরে- দেড় চা চামচ, দই – ১০০ গ্রাম, লেবুর রস – ২ বড় চামচ, পুদিনা পাতা কুচোনো – ১ চা চামচ, ধনে পাতা কুচোনো – বড় ৩ চামচ, কাঁচা লঙ্কা কুচোনো – ৪/৫টা, তেল – বড় ১ চামচ, নুন-চিনি-স্বাদমতো ।

উৎসবের সন্ধায় গরম চায়ের সঙ্গে ইলিশ ফিরিঙ্গি ফ্রাই 

পূর্ণিমা ঠাকুরের বিদেশি 'ফিশ ফ্রাই'-এর সাদূশ্যে বানানো ঠাকুরবাড়ির পচ্ছন্দের খাবার---ইলিশের ফিরিঙ্গি ফ্রাই!  উৎসবের মরসুমে প্রিয়জনদের কাছে বাহবা পেতে আজই হেসেলে বানিয়ে ফেলুন মুখোরোচক পদটি । সময় লাগে ১ ঘণ্টা ১০ মিনিটের মতো। 


উপকরণ— ৩ জনের জন্য বানাতে লাগবে ৬ টুকরো ইলিশ মাছ, ভাজার জন্য পরিমাণমতো সাদা তেল, ৪ টেবিল চামচ পেঁয়াজবাটা, ২ টেবিল চামচ আদাবাটা, ২ টেবিল চামচ রসুনবাটা, স্বাদমতো নুন, গোলমরিচগুঁড়ো, ১ চা চামচ কাঁচালঙ্কাবাটা, ২ কাপ ব্রেডক্রাম, আধ টেবিল চামচ ভিনিগার, ২ টেবিল চামচ ময়দা।

কড়াইশুটির উপমা 

সবুজ মটরশুটি পুষ্টিগুনে  সমৃদ্ধ । এতে ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন আছে । খেতেও সুস্বাদু। সুজির সঙ্গে কড়াইশুটির মেলবন্ধনে তৈরি উপমা উপমা দেখতে আকর্ষণীয় খেতে বেশ।

উপকরণ— ১ কাপ সুজি, হাফ কাপ মটরশুটি, ১ পিঁয়াজ এবং কাঁচালঙ্কা কুচি স্বাদমতো । ২ কাপ গরম জল, ১ টেবিল চামচ তেল, কয়েকটা কারি পাতা, আদা আর কুচো করে কাটা ধনে পাতা ও নুন ।

ঘরের হেসেল সুস্বাদু ভেজ মোমো

বাড়ির খুদে থেকে বড়ো সকলের পচ্ছন্দ চাইনিজ খাবার। অতিমারির আবহে বাইরের খাবার অনেকেরই না পসন্দ। তা বলে স্বাদ বদল হবে না,  তা তো নয় । বিকেলের জলখাবারে তাই বাড়িতেই সহজেই বানিয়ে ফেলুন ভেজ মোমো । মোমো খেতেও সুস্বাদু আবার পুষ্টিগুণে ও ভরপুর । 

♦ ভেজ মোমো তৈরির উপকরণ- ১ কাপ ময়দা,  স্বাদমতো লবণ, ১/২ চা চামচ গোলমরিচ গুড়ো, ১/২ কাপ ব্রকলি কুচি, ১/২ কাপ মটরশুঁটি । প্রয়োজনে অনান্য সবজি ব্যবহার করা যেতে পারে । 

স্বাদবদলের রবিবার, আজ স্ন্যাক্স-এ টমেটো ইতালিয়ানো!

রবিবার মানেই চুটিয়ে আড্ডা। সঙ্গে ধোঁয়া ওড়ানো গরম চা আর স্ন্যাক্স!

তালের বড়া

তাল তো বঙ্গ জীবনের অঙ্গ। এই ভাদ্রে বাঙ্গালীদের পাতে তালের বড়া কিংবা তাল কেক পড়বে না তা কি কখনও হয়। হোক না করোনা আবহ ভোজনপ্রিয় বাঙালির হেসেল তো সর্বাদা চলমান। সেখানে নেই কোনও সার্জিকাল স্ট্রাইক কিংবা লকডাউন। বৃষ্টিভেজা ঘরবন্দির একঘেয়েমি কাটিয়ে মুখরোচক গরম গরম তালের বড়ায় জমা যাক সান্ধ্য আড্ডা। 

তালের বড়া

উপকরণ-তালের জুস, ময়দা, সুজি, নারকোল কোয়া, ছোট এলাদ, সামান্য নুন ও প্রয়োজনীয় চিনি। বাড়া ভাজার তেল। 

ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে জমিয়ে খান চিংড়ি বিরিয়ানি

করোনাজনিত লকডাউনে সপ্তাহে রবিবার ছাড়াও দু-একদিন ছুটি পাওয়া যাচ্ছে। সেই সঙ্গে আগস্ট মাস চলছে উৎসব। রাখি, জন্মাষ্টমী, স্বাধীনতা দিবস, গণেশ পুজা ইত্যাদি। বাড়ির বাইরে না গেলেও বাড়িতে বসেই চুটিয়ে আড্ডা আর সঙ্গে ভুরিভোজ। এখন গরম কমেছে। বাইরে ঝরছে বাদলধারা। আর হেসেলও মম করছে সুস্বাদু-সুগন্ধি রসনায়।

ইদের মিষ্টি: শাহি দুধ সেমাই

শনিবার খুশির ইদ। করোনা আবহে চলতি বছরে ইদ উদযাপন আড়ম্বরহীন হবে এমনটাই সকলের ইচ্ছা। তবে বাড়তি আড়ম্বর না হোক, পরিবার সঙ্গে আনন্দভাগ করে নিতে তো কোনও বাঁধা নেই। বাড়িতেই জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া না হলে উৎসবের আনন্দটাই মাটি।বাড়ির হেসেলই বানিয়ে ফেলা যাক ডেজার্টও।

শাহি দুধসেমাই

উপকরণ- ১০০ গ্রাম সেমাই, দুধ-১ লিটার, কনডেন্সড মিল্ক-২৫০ গ্রাম, ছোট করে কাটা খেজুর-৩ টেবিল চামচ, টুকরো করা কাঠবাদাম-২ টেবিল চামচ, কিশমিশ-৩ টেবিল চামচ, পেস্তা কুচি-২ টেবিল চামচ, এছাড়া লাগবে আন্দাজমতো গোলাপজল, এলাচগুঁড়ো, ঘি।

 সজনে-আমের ডাল

গরমে মুখি রুচি ও সুস্থ থাকার পাসওয়ার্ডও হল আম! আর সজনে একশ শতাংশ স্বাস্থ্যকর।

চিংড়ি-কুমড়োর কারি

স্বাদে-গন্ধে রাজকীয় অনুভূতি।